Skip to Content

মূলপাতা

ইলম অর্জনের গুরুত্ব

طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِم

“প্রত্যেক মুসলিমের উপর জ্ঞান অর্জন করা ফরজ।” (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ২২৪)

اِقْرَاْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِیْ خَلَقَ

“পাঠ কর তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।”

আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

  • ছাত্ররা দ্বীনের দাঈ হবে এবং অন্যকে দাঈ বানানোর চেষ্টা করবে।
  • হাফেজ, আলেম, মুফতি, ফকিহ ও সুন্নতের পূর্ণ অনুসারী হিসেবে গড়ে উঠবে।
  • আ’মা্ল ও আখলাককে সবার উপরে রাখার শিক্ষা দেওয়া হবে।
  • ফলাফলভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা, বাস্তব জীবনে আদর্শ, কর্মঠ ও সুনাগরিক তৈরি।
  • চারটি ভাষায় (বাংলা, ইংরেজি, আরবি, উর্দু) পারদর্শী করা হবে।
  • সুন্দর হাতের লেখা ও লিখন দক্ষতায় বিশেষ গুরুত্ব।
  • পাঠ্যসূচি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে আদর্শ ও ভাল মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠতে পারে।
  • শুধু পড়ানো নয়, বাস্তব জীবনে প্রয়োগের শিক্ষা দেওয়া হবে।
  • শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, নতুন কিছু তৈরি করার আগ্রহ ও উদ্ভাবনী মানসিকতা গড়ে তোলা।
  • একইসাথে হাফেজ, আলেম, মুফতি, ফকিহ হওয়ার পাশাপাশি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বিজ্ঞানী হওয়ার সুযোগ।
  • মুসলমানদের জন্য জ্ঞান আহরণের একটি নমুনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা।
  • শিক্ষার্থীরা জ্ঞান, বিজ্ঞান ও অর্থনীতিসহ সবক্ষেত্রে মুসলমানদের বিজয় পুনরুদ্ধারে সহযোগী হবে।

মাদরাসার বৈশিষ্ট্যসমূহ

  • পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের ১–১.৫ বছরের মধ্যে নাযেরা শেষ করে হিফজ শুরু করার উপযোগী করে গড়ে তোলা।
  • স্বল্প সময়ে হিফজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্লে থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক শিক্ষা।
  • বিষয়ভিত্তিক দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা পাঠদান।
  • কোলাহলমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও আনন্দদায়ক পরিবেশে শিক্ষা প্রদান।
  • আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য তিনবেলা মানসম্মত খাবার ও আলাদা বিছানার ব্যবস্থা।
  • শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য শরিয়তসম্মত খেলাধুলার ব্যবস্থা।
  • বিশিষ্ট উলামায়ে কেরাম ও দাঈদের তত্ত্বাবধানে আদর্শ মুসলমান ও দ্বীনের দাঈ হিসেবে গড়ে তোলা। দাওয়াতের অনুশীলন, উম্মতের প্রতি দরদ ও ফিকির তৈরি।
  • জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সুন্নতের যথাযথ অনুসরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা। বাস্তব অনুশীলনের মাধ্যমে ইলম, আমল ও দাওয়াত একসাথে চর্চা করানো হয়।
  • শরিয়ত, পর্দা, সহিহ আমল ও উত্তম চরিত্র গঠনে বিশেষ গুরুত্ব।

 মাদরাসার অন্যতম বৈশিষ্ট্যসমূহ

  • সাহাবায়ে কেরাম, আকাবিরে দেওবন্দ এবং দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনতকে নিজের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করার ব্যাপারে গুরুত্ব প্রদান এবং তাঁদের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা এবং তাঁদের আদর্শকে জীবনের পথপ্রদর্শক হিসেবে অনুসরণ করা।
  • দাওয়াতের মেহনতের দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক ও বার্ষিক আমলসমূহে তাশকিল অনুযায়ী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করা।
  • দৈনিক মসজিদ আবাদির মেহনতের সাথে জুড়ে থাকার প্রতি গুরুত্ব প্রদান।
  • পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব প্রদান করা। 
  • যেকোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে দূরে থাকা। কোনো রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ না করা।