Skip to Content

বিভাগসমূহ / কিতাব বিভাগ

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম

কিতাব বিভাগ পরিচালনা

আমাদের মাদরাসার কিতাব বিভাগ একটি সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষা একত্রে প্রদান করা হয়। এখানে ছাত্রদেরকে প্রাথমিক স্তর থেকেই কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক জ্ঞান, ইসলামী আদর্শ এবং আধুনিক শিক্ষার আলোকে গড়ে তোলা হয়, যাতে তারা ভবিষ্যতে সমাজ ও উম্মাহর জন্য যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হতে পারে।

পাঠদান ব্যবস্থা

  • বর্তমানে কিতাব বিভাগে প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত নিয়মিত পাঠদান চলছে।
  • প্রতিটি স্তরে ছাত্রদের যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে পরিকল্পিত পাঠ্যক্রম অনুসরণ করা হয়।
  • অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকবৃন্দের তত্ত্বাবধানে পাঠদান পরিচালিত হয়।
  • মাদানী সিলেবাস অনুযায়ী কুরআন, হাদিস, ফিকহ, আকীদাহ ও ইসলামী নীতিমালা পড়ানো হয়।
  • জাতীয় পাঠ্যক্রম (NCTB) অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি, গণিতসহ সাধারণ বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বহুভাষিক দক্ষতা উন্নয়ন

  • ছাত্রদের আরবি, ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
  • এর মাধ্যমে তারা দ্বীনি গ্রন্থ অধ্যয়ন, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও উচ্চশিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করে।

চরিত্র গঠন

  • ছাত্রদের মধ্যে তাকওয়া, সুন্দর আখলাক, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলা হয়।
  • সামাজিক সেবার মানসিকতা তৈরির জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
  • লক্ষ্য হলো ছাত্রদেরকে শুধু জ্ঞান অর্জনে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রকৃত দ্বীনের দাঈ হিসেবে গড়ে তোলা।

কিতাব বিভাগের বৈশিষ্ট্য

  • পূর্ণ সুন্নত অনুসারী হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা।
  • ক্লাস শুরু হয় ঈমানি আলোচনার মাধ্যমে।
  • ক্লাসের কাজ ক্লাসেই সম্পন্ন করার প্রচেষ্টা।
  • প্রতিটি বই সম্পূর্ণ পড়ানো হয়, পাশাপাশি প্রয়োজনীয় রেফারেন্স বইও পড়ানো হয়।
  • আরবি, ইংরেজি, উর্দু ও হিন্দি ভাষায় দক্ষতা অর্জন।
  • মুসলমানদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞান প্রদান।
  • ব্যবসা, নববী চিকিৎসা, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ক্যালিগ্রাফি, ভূগোলসহ চার ভাষায় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ।
  • ছাত্রদেরকে রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে দূরে রাখা।
  • প্রতিটি ক্লাসে সর্বোচ্চ ৩০ জন ছাত্র।

ছাত্রদের দায়িত্ব

  • প্রতিটি ক্লাসে একজন ছাত্রকে আমীর করা হবে এবং প্রতি ৬ মাসে নতুন আমীর নিয়োগ দেওয়া হবে।
  • ছাত্ররা প্রতিদিন ৫টি কাজের অঙ্গীকার করবে এবং ফজরের পর শিক্ষামূলক পরামর্শে অংশ নেবে।
  • আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত ২.৫ ঘণ্টা মসজিদে পরিশ্রম করবে।
  • প্রতি দুই মাসে ৬ দিনের ছুটি থাকবে—৩ দিন জামাতে সময় কাটানো এবং ৩ দিন অভিভাবকের সেবা।
  • বাকি মাসগুলোতে ২৪ ঘণ্টার জামাতে অংশগ্রহণ।
  • কোনো স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
  • বড় ছাত্ররা সাপ্তাহিক শবে‑গুজারিতে অংশ নেবে।
  • ঈদের ছুটি ও পরীক্ষার পর দীর্ঘ সফরে অংশগ্রহণ।
  • নিয়মিত মাগরিবের পর তিন ভাষায় হায়াতুস সাহাবা পাঠ।